আজ ১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কিশোরগঞ্জে রাস্তা ঘেঁষে ভবন নির্মাণ এলাকাবাসীর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : গলির রাস্তার উপরে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে, কিশোরগঞ্জ পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের বয়লা মদিনাতুল উলুম কওমি মহিলা মাদ্রাসা রোডের বাসিন্দাদের। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে, এলাকাবাসীর পক্ষে মোঃ সাদেকুর রহমান স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ লোকজনের স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে পৌর প্রশাসক বরাবরে।
এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন পৌরসভার সার্ভেয়ার। বাড়ির মালিকের দাবি পৌর আইন অনুযায়ী বিল্ডিংকোড মেনেই নির্মাণ কাজ করছেন।
গত ২৫ সালের ৩০ জুন সাদেকুর রহমানের লিখিত ও স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, বয়লা মদিনাতুল উলুম কওমি মহিলা মাদ্রাসা গলির রাস্তার উপরে অন্যায় ভাবে বাড়ি নির্মান করছেন উমর ফারুক নামে এক ব্যক্তি। এই রাস্তা দিয়ে আশপাশের শতাধিক পরিবার ও মসজিদ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মেইন রাস্তায় আসেন। কিন্তু কিছুদিন আগে স্থানীয় উমর ফারুক রাস্তাটির সীমানা ঘেঁষে বিল্ডিং নির্মাণ করে প্রথম তলার ছাদ ও ঝুল বারান্দার অন্তত দুই ফুট চলে আসে রাস্তার উপরে এবং রাস্তা ঘেঁষে বাউন্ডারি করেন। আবার নতুন করে রাস্তার মুখে টিনের অস্থায়ী বেড়া দিয়ে ভিতরে স্থায়ীভাবে বিল্ডিং নির্মাণ করছেন। যার ফরে স্থানীয়দের চলাচলে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।  এজন্য যত দ্রুত সম্ভব রাস্তার উপর থাকা ভবনের অংশ বিশেষ ও রাস্তা থেকে দুই আড়াই ফিট অপসারণের দাবি জানান।
ভবনের মালিক মো. ওমর ফারুক বলেন, আমি পৌর আইন ও নকসা অনুযায়ী বিল্ডিংকোড মেনেই নির্মাণ কাজ করছি। বলতেও লজ্জা লাগছে, পারিবারিক ও পূর্ব শত্রুতার জেরে আমার বিরুদ্ধে পৌরসভায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পৌরসভা আমাকে তলব করলে আমি আমার যাবতীয় প্রমাণাদি উপস্থাপন করি। এবং পৌরসভার সার্ভেয়ারের প্রতিবেদনেও আমি সঠিক আছি।
তারপরও জনগণের স্বার্থে আমি সহ আরো যাদের বাড়িঘর রাস্তার উপর রয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রতিনিধিরা যেকোন সময় যেকোনো সিদ্ধান্ত নিবেন আমি আমি তাতে দ্বিমত থাকবো না।
পৌরসভার সার্ভেয়ার সাজ্জাদ রায়হান  বলেন, আমরা কারোর পক্ষে না, আমরা ন্যায় ও সঠিকের পক্ষে। এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমি সহ আরো কয়েকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখতে পাই বাড়ির গেইটের ফলস্ ছাদটা রাস্তায় ও বাউন্ডারি রাস্তা ঘেঁষা। এই রাস্তা দিয়ে অনেক মুসুল্লি ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা চলাচল করে। আমরা ছাদের সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছি, যাতে ছাদের ময়লা ও পানি কারো শরীরে না পড়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category